কাগজের বাক্স প্রক্রিয়াগুলো কী কী?
উপহারের প্রক্রিয়াপ্যাকেজিং বাক্সমোটামুটিভাবে এই তিন প্রকারে বিভক্ত: বই-আকৃতির বাক্স, স্বর্গ ও পৃথিবী কভার বাক্স, এবং বিশেষ আকৃতির বাক্স। সাধারণত, সাধারণ পেস্টি কাগজের বাক্স উৎপাদন প্রক্রিয়াকে মোটামুটিভাবে সাতটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়: ডিজাইন, প্রুফিং, পেপারবোর্ড নির্বাচন, প্রিন্টিং, সারফেস ট্রিটমেন্ট, বিয়ারিং এবং মাউন্টিং। আজ আমি আপনাদের কার্টন তৈরির প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে জানাবো।
১. ডিজাইন: গ্রাহকের চাহিদা, পণ্যের বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি অনুযায়ী পণ্যের প্যাকেজিং প্যাটার্ন ডিজাইন করা।
২. প্রুফিং: ডিজাইন করা প্যাটার্ন অনুযায়ী, একটি ভালো উপাদান নির্বাচন করে আমরা একটি রেন্ডারিং গিফট বক্স তৈরি করব এবং তারপর প্রকৃত সমন্বয় করা হবে।
৩. বোর্ড পেপার: বাজারে যে কার্টন পাওয়া যায় তা সাধারণত কার্ডবোর্ড পেপার বা লং বোর্ড পেপার দিয়ে তৈরি হয়। প্রকৃত প্রয়োজন অনুযায়ী, আমরা আরেকটু উন্নত কিছু করতে চাই। এর জন্য আমরা ৩ মিমি থেকে ৬ মিমি পুরুত্বের কার্ডবোর্ড ব্যবহার করে হাতে করে বাইরের আলংকারিক পৃষ্ঠটি স্থাপন করি এবং আঠা দিয়ে জুড়ে দিয়ে কাজটি সম্পন্ন করি।
৪. প্রিন্টিং: আধুনিক ছাঁচ এবং অন্যান্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্টনের উপর যদি কিছু অসম নকশা প্রিন্ট করার প্রয়োজন হয়, তবে এই অংশের খরচ কিছুটা বেশি হয় এবং প্রিন্টিং প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শর্তগুলোও বেশি থাকে।
৫. উপরিভাগের প্রক্রিয়াকরণ: সাধারণভাবে বলতে গেলে, বাক্সের প্যাকেজিংয়ের উপরিভাগে অবশ্যই প্রক্রিয়াকরণ করা প্রয়োজন, অন্যথায় এটি খুব অমসৃণ দেখাবে। প্রায়শই গ্লসি আঠা, ম্যাট আঠা, ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।
৬. বিয়ার: প্রিন্টিং প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিয়ারকে বিবেচনা করা হয়। নির্ভুলতা চাইলে নাইফ মোল্ডটিও নির্ভুল হতে হবে, তাই এই অংশটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিয়ারটি নির্ভুল না হলে, তা পরবর্তী প্রক্রিয়াকরণের উপর একটি নির্দিষ্ট প্রভাব ফেলবে।
পোস্ট করার সময়: মার্চ-০৬-২০২৩

